
আজ বুধবার সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা বিশেষ মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আজ ৯ সেপ্টেম্বর সংগঠনের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই কর্মসূচি করে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল। কর্মসূচিতে অংশ নেন মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদসহ শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছুটা চাপ থাকলেও তা নিরসনে সরকার বিকল্প বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে জানান রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, জনগণের দুঃখ-কষ্ট লাঘব এবং বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে যেসব নারী নেতাকর্মীরা সক্রিয় ছিলেন, তারা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে নানা প্রতিকূলতা ও সংকটের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের পরিচয় দিয়ে দলকে সুসংগঠিত রেখেছেন এবং সঠিক নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রিজভী বলেন, তেল ও গ্যাস সরবরাহে সাময়িক জটিলতা তৈরি হওয়া একটি বৈশ্বিক সংকট। তবে এই সংকট কাটিয়ে উঠতে গ্যাস আমদানিসহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গণপরিবহন পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষের জীবনযাত্রাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলেও জানান তিনি।
নারীর ক্ষমতায়ন ও শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, বিএনপি চিরকালই নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী। বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় মেয়েদের উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা হয়েছিল। বর্তমান সরকার তা বিএ বা স্নাতক পর্যন্ত অবৈতনিক করার চিন্তাভাবনা করছে।
একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড’র মাধ্যমে পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষমতা নারীদের হাতে তুলে দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।
সম্প্রতি অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রিজভী কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা নারীদের ওপর শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন চালায়, তারা সম্পূর্ণ কাপুরুষ।’